‘নতুন মডেল আসছে ছাত্রলীগ’

আসছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ‘নতুন মডেল’। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে যুগের চাহিদা অনুযায়ী এ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। গতানুগতিক ছাত্র রাজনীতির ধারার বাইরে গিয়ে নতুন আঙ্গিকে সংগঠনটিকে ঢেলে সাজানো হবে। এক্ষেত্রে ছাত্রবান্ধব কর্মসূচি, বিপথগামী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ‘অ্যাকশন’র বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’সহ আগামী জাতীয় সম্মেলনে নেতৃত্ব নির্বাচনে চমকসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী ছাত্রলীগকে ঢেলে সাজানোর এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

ইতিমধ্যেই ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে ছাত্রলীগের ‘নতুন মডেল’ নিয়ে আসার বিষয়ে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের নানা দিক এবং উদ্দেশ্যের প্রতিও ইঙ্গিত দেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ছাত্রলীগের স্ট্রাকচারাল লিডারশিপ ও ছাত্রলীগকে নতুন মডেলে বিকাশ করার নির্দেশনা আমাদের নেত্রীর (শেখ হাসিনা) রয়েছে। আমরা সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। একটু ধৈর্য ধরুন, অপেক্ষা করুন।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের এমন বক্তব্যের পর ছাত্রলীগের নতুন মডেল নিয়ে আলোচনা এখন সর্বত্র। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিভিন্ন সময়ে সংগঠনটির একশ্রেণীর নেতাকর্মীর বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সংগঠনটির ভাবমূর্তি কিছুটা ক্ষুণ্ণ হওয়ায় তা ফিরিয়ে আনতেই এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১১ ও ১২ মে অনুষ্ঠেয় ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনে নেতৃত্ব নির্বাচনে থাকতে পারে বিশেষ চমক। এছাড়া রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ইউনিট ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, উত্তর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়েও রয়েছে বিশেষ পরিকল্পনা। নতুন মডেলের অংশ হিসেবে সংগঠনের ১০৯টি সাংগঠনিক ইউনিট, ৫০টি আন্তর্জাতিক ইউনিট, অর্ধসহস উপজেলা ইউনিটকেও সাজানো হবে নতুনভাবে।

আর এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ছাত্রলীগের নতুন মডেলে ছাত্রবান্ধব কর্মসূচিতে অধিক গুরুত্ব দেয়া হবে। পাশাপাশি সংগঠনটির শীর্ষ পদগুলোর নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে ক্যাম্পাসের জনপ্রিয় শিক্ষার্থীদের প্রাধান্য দেয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে নিয়মিত ছাত্রদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। এছাড়া প্রায় এক যুগ ধরে ‘সিন্ডিকেট’র নিয়ন্ত্রণে থাকা ছাত্রলীগকে নিজস্ব গতিতে পরিচালনার সুযোগ প্রদানে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আগামী জাতীয় সম্মেলনে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হতে পারে। নতুন নেতৃত্ব অধিক ক্ষমতা পেয়ে যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে এবং কোনো অপরাধে জড়ালে শাস্তি প্রদানে থাকবে ‘জিরো টলারেন্স’ ভূমিকা। এছাড়া সংগঠনটিতে যাতে নেতৃত্ব জট না লাগে- সেজন্য গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২ বছর পরপর কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের ঘোষণাও আসতে পারে।

আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে নতুন মডেলের বিষয়ে পাওয়া গেছে উল্লিখিত সব তথ্য। তারা আরও জানান, এ মডেলে আরও যেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনটির ২৯তম জাতীয় সম্মেলনে নেতৃত্ব নির্বাচনে ত্যাগী ও দলের ক্রান্তিকালে প্রশংসনীয় ও সাহসী ভূমিকাকে গুরুত্ব দেয়া, নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে শীর্ষ পদে নারী নেতৃত্ব নিয়ে আসা, দীর্ঘদিন সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্বের বাইরে থাকা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি রাখা এবং ব্যক্তির যোগ্যতাকে প্রাধান্য দেয়া হবে। এছাড়া সংগঠনটির নতুন মডেলে আরও যেসব বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে সেগুলো হচ্ছে, যেসব অঞ্চল থেকে দীর্ঘদিন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্বে আসেনি- সেসব অঞ্চলকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়ন এবং স্থানীয় ছাত্রলীগকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের প্রভাবমুক্ত রেখে কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী ছাত্রবান্ধব কর্মসূচিতে অধিক মনোযোগী করা। আগামী নেতৃত্বে এসব বিষয় বাস্তবায়ন করা হলে সব মহলের কাছে ছাত্রলীগের গ্রহণযোগ্যতা আরও উজ্জ্বল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেয়া প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যেও ছাত্রলীগের বিষয়ে তার চিন্তা ও নির্দেশনা উঠে এসেছে। ২০১৫ সালের ২৫ জুলাই ছাত্রলীগের ২৮তম জাতীয় সম্মেলনের অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি নেতৃত্বের বয়স ২৭ বছর ঠিক করে দিয়েছিলাম। সম্মেলন বিলম্বিত হওয়ায় দুই বছর নষ্ট হয়েছে। তাই গ্রেস পিরিয়ড দিতে হয়। এটি এখন ২৯ বছর হয়ে গেছে। ২৯ বছরই থাকতে হবে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘দুই বছর দেরি হওয়ায় আমি দোষ দেই না। ২০১৩ সালের মে থেকে নির্বাচন ঠেকানোর নামে যে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। ওই অবস্থায় সম্মেলন করা কঠিন ছিল। সংগঠনের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারেনি বলেই দুই বছর দেরি হয়ে গেছে।’ প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বক্তব্যের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বড় কোনো সমস্যা না হলে নিয়মিত সম্মেলনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। আর সে অনুযায়ী গত ৪টি কেন্দ্রীয় কমিটির মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে সম্মেলন করতে হচ্ছে বর্তমান কমিটিকে। আগামীতে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নিয়মিত সম্মেলনের (২ বছর পরপর) নির্দেশনা আসতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যেও ছাত্রলীগের ‘নতুন মডেল’র বিষয়ে কিছু নির্দেশনা উঠে এসেছে। এক্ষেত্রে তিনি অপরাধীদের ব্যাপারে শক্ত অবস্থানকে বেশ গুরুত্ব দিয়েছেন। সর্বশেষ শুক্রবারের ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে তিনি এ বিষয়ে বলেন, অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। কিছু এমব্যারেসিং (বিব্রতকর) ব্যাপার ঘটে। এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। ছাত্রলীগ হোক বা আওয়ামী লীগ হোক আমাদের যে কোনো সংগঠনের কেউ অপরাধ করে পার পায়নি। এ ব্যাপারে আমাদের নেত্রীর জিরো টলারেন্স অবস্থান।

নতুন মডেলের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি একেএম এনামুল হক শামীম বলেন, ‘নতুন মডেলের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ইতিবাচক পরিবর্তনের বিষয়ে বলেছেন। ছাত্রলীগ সবসময় ছাত্ররা করে, বয়সসীমাও নির্ধারণ করা আছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাড়া কেউ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আসে না। ‘ক্লিন ইমেজও’ নেতৃত্ব নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। এসব মিলিয়েই ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে হয়তো তিনি নতুন মডেলের কথা বলেছেন।’ নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে পারিবারিক ঐতিহ্য, ছাত্র কিনা, বয়স ঠিক আছে কিনা, সংগঠনের প্রতি কমিটেড কিনা, আগে কি অবস্থান ছিল, সংগঠনের প্রতি কি ত্যাগ আছে- এগুলোই দেখা হবে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কোন আঙ্গিকে নতুন মডেলের কথা বলেছেন সেটি জানি না। তবে আমাদের মতামত হচ্ছে- সামনে ভোট, তাই ছাত্রলীগকে নিয়ে মিডিয়া বা মানুষ বিভিন্ন ধরনের যে মন্তব্য করে এসব মন্তব্যে মিডিয়ার ঘাড়ে দোষ না দিয়ে এরকম করা যেতে পারে- যাতে ছাত্রলীগ নিয়ে কেউ নেতিবাচক কথা না বলতে পারে। আর সেভাবেই কমিটি গঠনের দিকে আগানো উচিত। এখন পর্যন্ত যতদূর জানি, মাঠের দাবি হচ্ছে, নেত্রীর কাছ থেকেই কমিটি আসুক। সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য ৪ মেয়াদে ভোট তো হল। কিন্তু এ ১৬ বছরে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তারা কি জাতির সামনে নেতা হতে পেরেছেন? সেই ক্ষেত্রে এটা পুনর্বিবেচনা করে নেত্রী (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) সিদ্ধান্ত নেবেন। আর ছাত্রলীগের সিদ্ধান্ত আপাই (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) বরাবর নিয়ে থাকেন। আমরা আপার দিকে তাকিয়ে আছি। তিনি যা সিদ্ধান্ত নেবেন, তাই চূড়ান্ত।’ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে সময় ও যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যারা কাজ করছেন, তারাই নেতৃত্বে আসবেন বলে মনে করেন এ আওয়ামী লীগ নেতা।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ২০০২ সালে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বপ্রাপ্ত মারুফা আক্তার পপি বলেন, ‘ছাত্র সংগঠন করার মানে হল- ছাত্রদের বিভিন্ন বিষয়ে কমিটমেন্ট থাকা। ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি এটা জাহির করা বা ভাব দেখানো ছাত্র রাজনীতির লক্ষ্য নয়। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একটি ছাত্র সংগঠনের নেতা মানে হল- সে দেশের সমস্ত ছাত্রছাত্রীর প্রতিনিধি এবং তাদের অধিকার ও চাওয়ার সঙ্গে সেই নেতার একটা যোগাযোগ থাকা। পাশাপাশি বাংলাদেশের সব ছাত্রদের একটা আস্থার জায়গা তৈরি করা। নতুন প্রজন্মের ডিমান্ড অনুযায়ী যে ছাত্র নেতৃত্ব- এ রকম একটা প্রজন্ম উপযোগী মডেলই নতুন মডেল।’

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কী নতুন মডেলের কথা বলেছেন- সেটি আমি জানি না। তবে আগামী জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনে বেশ কিছু চমক থাকছে।’ সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন যুগান্তরকে বলেন, ‘ছাত্রলীগ বরাবরই নেত্রীর (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) নির্দেশনা অনুযায়ী চলে। তিনিই আমাদের একমাত্র অভিভাবক। অতীতে তিনি যেভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন আমরা সেভাবেই কাজ করেছি। আগামীতেও এর ব্যত্যয় হবে না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র মেনে সংগঠন চলবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে এমন জনপ্রিয়, মেধাবী, ত্যাগী, পরিশ্রমী ছাত্ররাই সংগঠনের নেতৃত্বে আসবে। বঙ্গবন্ধু কন্যার যে কোনো নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা সর্বদা প্রস্তুত আছি।’

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের ২৮তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচিত শীর্ষ পাঁচ নেতার বাকি তিনজনের সঙ্গেও কথা হয় । ৫ সদস্যের সেই কমিটির সহসভাপতি আজিজুল হক রানা বলেন, ‘ছাত্রলীগে নেত্রীর (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি যেভাবে বলবেন ছাত্রলীগ সেভাবেই চলবে, অতীতেও চলেছে। নতুন মডেলও সেভাবেই হবে। আগামী দিনের ছাত্রলীগকে সুনামের ধারায় ফিরিয়ে আনতে তিনিই পদক্ষেপ নেবেন।’ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান নাদিম বলেন, ‘আগামী দিনের ছাত্রলীগ হবে প্রকৃত ছাত্রলীগ। তারা শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়ন করে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার যে চ্যালেঞ্জ তিনি দিয়েছেন- তা মোকাবেলায় সারা দেশের ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’ সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক হোসাইন বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখেই ছাত্রলীগে নতুন মডেল আসবে। আর প্রধামন্ত্রীর নির্দেশনাই হবে এই মডেলের স্বরূপ।’

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২৫ ও ২৬ জুলাই ছাত্রলীগের ২৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সাইফুর রহমান সোহাগকে সভাপতি ও এসএম জাকির হোসাইনকে সাধারণ সম্পাদক করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর আগে ১১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্মেলন শেষে ১৮ জুন আবিদ আল হাসানকে সভাপতি এবং মোতাহার হোসেন প্রিন্সকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। ২৮ মে ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্মেলন শেষে ৩০ মে মিজানুর রহমানকে সভাপতি ও মহিউদ্দিন আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে শাখাটির ৬ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। ঢাকা মহানগর দক্ষিণে ৩০ মে সম্মেলন শেষে ওই দিনই বায়েজিদ আহমেদ খানকে সভাপতি ও সাব্বির হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে শাখাটির ৮ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ ২ বছর এবং জেলা কমিটির মেয়াদ ১ বছর।




  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত


বাংলাদেশ ক্যাটাগরির আরও খবর পড়ুন