অবশেষে জয় পেল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

আট ম্যাচে মাত্র দুটি জয় নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় তলানিতে থাকা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স আজ অবিস্মরণীয় জয় পেয়েছে। শেষ ৫ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৫৭ রান। লক্ষ্য যখন প্রায় ১২ করে রান রেট। ঠিক ওই সময় দলকে ঝড়ো ব্যাটিং করে ক্রোনাল পান্ডিয়া মাত্র ১২ বলে ৩১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে দলকে সহজ জয় এনে দেন। এক ওভার হাতে রেখেই বিজয়ী বেশেই অধিনায়ক রোহিত শর্মার সঙ্গে মাঠ ছাড়েন ক্রোনাল। তার ইনিংসটি ছিল দুটি ছক্কা ও চারটি চারে সাজানো।

রোহিত শর্মা করেন ১৫ বলে ২৪ রানের কার্যকর ইনিংস। তার ইনিংসটি ছিল দুটি ছক্কা ও এক চারে সাজানো। পঞ্চম উইকেট জুটিতে তারা ৫৬ রান সংগ্রহ করে অবিচ্ছিন্ন থাকেন।এ জয়ের ফলে এবারের আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের আশা এখনও টিকে রইলো। পয়েন্ট তালিকায় তারা এবার পঞ্চম স্থানে উঠে এলো। এ ম্যাচে হেরে গেলে আইপিএল থেকে তাদের কোয়ালিফায়ারে ওঠার সম্ভাবনা চিরতরে শেষ হয়ে যেতো।

কিন্তু দুই হার্দিক পান্ডিয়ার ঝড়ো ব্যাটিং ও রোহিতের বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মুস্তাফিজের মুম্বাই। যদিও এ ম্যাচেও একাদশে জায়গা পাননি বাংলাদেশের এ পেসার। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় মুম্বাই মুখোমুখি হয় কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের। পাঞ্জাবের ঘরের মাঠ ইন্দোরে টস জিতে স্বাগতিকদের প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান রোহিত শর্মা। বরাবরের মতো এ ম্যাচেও দর্শকরা গেইল শো দেখার প্রত্যাশায় ছিল। কিন্তু ক্যারিবীয়ান ওপেনার হাত খুলে তাণ্ডব দেখানোর আগেই আউট হয়েছেন। অবশ্য তার ফিফটিতে ভর করেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সামনে ১৭৫ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে পেরেছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা তুলেছে ৬ উইকেটে ১৭৪ রান।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বেশ ভালোই ছিল পাঞ্জাবের। লোকেশ রাহুল আর গেইল মিলে ৪০ বলের উদ্বোধনী জুটিতে তুলেন ৫৪ রান। ২০ বলে ২৪ রান করা রাহুলকে ফিরিয়ে এই জুটিটি ভেঙে দেন মারকান্দে। এরপর ধীরেসুস্থে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন গেইল।৪০ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৫০ রান করে যখন হাত খুলে খেলতে যাবেন, তখনই ঘটে বিপত্তি। বেন কাটিংকে ছক্কা মারতে গিয়ে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ধরা পড়েন এ ব্যাটিং দানব। পরে ১৪ বলে ১৪ রান করে রানআউটের শিকার হন যুবরাজ সিং।

এরপর করুন নায়ার কিছুটা চালিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন। তবে ১২ বলে ১ চার আর ২ ছক্কায় ২৩ রান করে তিনিও ফিরে যান। শেষ দিকে এসে দলকে লড়াকু পুঁজি এনে দিয়েছেন মার্কাস স্টোয়নিস। ১৫ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ২৯ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। যে কারণে এ ম্যাচটি ছিল মুম্বাইয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুম্বাইয়ের হিসেব নিকেশ কঠিন হয়ে গেছে শেষ ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙালুরুর কাছে হেরে। এই হারের ফলে দলটির কোয়ালিফায়ারে ওঠার সম্ভাবনা অনেকটাই শেষ হয়ে যায়। কারণ এখন বাকি সবগুলো ম্যাচ তো জিততেই হবে, তার সঙ্গে তাদের দেখতে হবে অন্যদলগুলো হারের নানা সমীকরণ।

মুম্বাইয়ের অন্যতম পারফর্মার কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান দলের প্রথম ছয় ম্যাচেই খেলেছেন। দারুণ বোলিংয়ে পেয়েছেন ৭ উইকেটও। তবে শেষ দুই ম্যাচে তাকে খেলানো হয়নি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে জয় পেলেও মুম্বাই হেরেছে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে। পাঞ্জাবের বিপক্ষেও তাকে খেলানো হয়নি।




  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত


খেলা ক্যাটাগরির আরও খবর পড়ুন