প্রাতিষ্ঠানিক কর্মদক্ষতায় দক্ষ হতে গেলে মাঠ পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা থাকাটা জরুরী: "কাজী এনায়েত"।

প্রাতিষ্ঠানিক কর্মদক্ষতায় দক্ষ হতে গেলে মাঠ পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা থাকাটা জরুরী। সেই মাঠ পর্যায়ের কর্মে দক্ষতা অর্জনসহ জনমেন সেবার আস্থায় নিজেকে তাদের কাছে নির্ভরযোগ্য প্রমান করতে সক্ষম এই রাজপথের সংগ্রামী নেতা কাজী এনায়েত। কাজী এনায়েত শুধু একটি নামই নয় বরং একটি দৃষ্টান্ত । সত্যিকারের যোগ্যতার বিবেচনায় ত্যাগ, শ্রম, সততা, মেধা, নেত্রীর প্রতি ভালবাসা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ১০০% কমিটেড ছাত্রলীগের একজন কর্মীর নাম "কাজী এনায়েত"।
কাজী এনায়েত ঢাবিতে ছাত্রলীগের রাজনীতির সুচনা করেন ২০০৫-০৬ সেশনে ঢাবিতে ভর্তি হবার পর থেকে। সেই থেকে এই সবুজ চাদরে মোরানো বাংলায় সূর্যলালের সংগ্রামী বৃত্ত হয়ে ফুটে উঠলো আরো একটি উজ্জল রাজনৈতিক নক্ষত্র যার নাম কাজী এনায়েত। রাজনীতির শুরু থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অতীব জরুরী কাজে দু একদিন ছাড়া যাকে কোনদিন মধুর কেন্টিনে অনুপস্থিত দেখা যায়নি তিনিই কাজী এনায়েত। রাজনৈতিক আড্ডার কেন্দ্রবিন্দু মধুর কেন্টিনের অরুন দা কে জিজ্ঞেস করলে সত্যতা পাওয়া যাবে। দলীয় প্রোগ্রামে যাননি এমন ইতিহাস বিরল। এই বিষয়টি উল্লেখ্য করার একটি বড় কারন আমরা অনেকেই পুরাতন কর্মী সন্দেহ নাই” কিন্তু কেউ কেউ দুই মাসে, ১৫দিনে, সপ্তাহে, কিংবা দুই তিনদিন পর পর একবার মধুর ক্যান্টিনের টেবিলে বসি, প্রোগ্রাম করি বছরে তিন চারটা, মাসে মাসে ভাইয়ের রুমে গিয়ে হাজিরা দেয়! নিয়মতি কর্মী নয়, ছাত্রলীগ করেন, ব্যবসা-বানিজ্যও করেন, সারা দেশে ঘুরে বেড়ায়, বন্ধুদের নিয়ে মাস্তি ও করি। লাইব্রেরীতে, ক্লাসেও নিয়মিত, এমন কর্মীর সংখ্যাই বেশি। কিন্তু এই বাংলার বুকে কাজী এনায়েত একজনই। তার মতো স্বতস্ফর্ত নিয়মিত কর্মী পাওয়া বিরল।
এক যুগের ও বেশি সময় ধরে শতভাগ নিয়মিত কর্মী কাজী এনায়েত ছাড়া দ্বিতীয় কারো নাম অনেকই জানিনা। ওয়ান ইলেভেনে নেত্রীর মুক্তির দাবীতে সর্বপ্রথম ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ১৭জনের মিছিলে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য কর্মীটির নামই ছিল কাজী এনায়েত। বর্তমান কেন্দ্রিয় কমিটির আর একজন ও সেই মিছিলে ছিলেন না। তবে ওয়ান এলিভেনে নেত্রীর মুক্তির দাবীতে অন্যান্য সব প্রোগ্রামে সেনাবাহিনীর সাথে ঢাবির সংঘর্ষে মুখোমুখি লিপ্ত হয়েছিলেন বর্তমান কমিটির ৩০/৩৫ জন।
আবদুর রহমান জীবন, কাজি এনায়েত, জসীম উদ্দীন হলের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক থাকা অবস্থায় ২০১০ সালে বিএনপির ডাকা প্রথম হরতাল প্রতিহতো করতে শাহবাগে শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এনি সহ ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের প্রতিহতো করেছিলেন জীবন ও কাজী এনায়েত। ২০১২ সালে ঢাবির উপাচার্য ভবন ঘেরাও করে ছাত্রদল ও শিবির ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ে তাণ্ডব চালালে কাজী এনায়েত নিজ প্রেচষ্টায় তাদের প্রতিহত করেন। যার পিরপ্রেক্ষিতে ছাত্রলীগের ১৯ জনের বিরুদ্ধে অজ্ঞাত নামা ২০০ জন দিয়ে মামলা করে ছাত্রদল!
৫ই জানুয়ারি নির্বাচন, যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের ইস্যু, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসি কার্যকর, রোটন ভাইয়ের মুক্তির দাবী, হেফাজত আন্দোলন, গণজাগরণ মঞ্চ সহ প্রতিটি ইস্যুতেই রয়েছে কাজী এনায়েতের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহন। ওয়ান এলিভেনের সময় থেকে আজ পর্যন্ত এমন কোন দুঃসময় নাই, যেখানে কাজী এনায়েত সক্রিয় ভুমিকা ছিলোনা। দলের কিংবা কোন নেতাকর্মীর বিপদে তিনি জীবনের মায়া ত্যাগ করে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন।ছাত্রলীগের এ ত্যাগী কর্মীকে মানবতার কান্ডারী ও মমতার ভান্ডার আমাদের জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার যথাযোগ্য অবস্থানেই আসন দেবে বলেই সবার বিশ্বাস।




  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত


রাজনীতি ক্যাটাগরির আরও খবর পড়ুন