আমরা ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে সংলাপে বসব: ওবায়দুল কাদের

বিএনপির আহ্বান এতদিন নাকচ করে এলেও ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে বসতে রাজি হয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। এই সংলাপ হবে নিঃশর্ত উল্লেখ করে দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে তারা দেখাতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলোচনার দরজা কারো জন্য বন্ধ করেন না। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সংলাপে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বসার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আলোচনায় বসতেই পারি। এ বিষয়ে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের মতামত জানতে চান। মন্ত্রিসভার সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক মন্ত্রী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। রবিবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে অর্থবহ সংলাপের জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি দেন ড. কামাল হোসেন। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত হয়।

বিকেলে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ

সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, শেখ হাসিনার দরজা কারো জন্য বন্ধ হয় না, বন্ধ থাকে না। এর মধ্য দিয়ে আপনারা বুঝতে পারছেন যে, আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে বসতে সম্মত। আমরা ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে সংলাপে বসব।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আমাকেও একটা চিঠি দিয়েছেন। সেটা অবশ্য গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক দিয়েছেন। সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বরাবর অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে আমাদের সঙ্গে সংলাপের প্রত্যাশায় তারা চিঠি দিয়েছে। যার সঙ্গে সাত দফা প্রস্তাব এবং ১১টি লক্ষ্য সংযুক্ত করে দেয়া হয়েছে। চিঠিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সংলাপ করতে চেয়েছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা চাপের মুখে নতিস্বীকার করিনি। আমাদের পক্ষ থেকে আমরা কাউকে সংলাপে ডাকিনি। তবে তারা সংলাপে করতে চান। ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সংলাপ বিষয়ে দরজা বন্ধ করে দিতে চান না, তিনি (শেখ হাসিনা) সেকথা বলেছেন। এ খবরে রাজনীতির মাঠে শান্তির বাতাস বইবে বলে মনে করি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর নেত্রী (শেখ হাসিনা) আমাদের নিয়ে একটি অনির্ধারিত একটি বৈঠক করেন। উপস্থিত দলীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং সবার মতামত জানতে চান। অনির্ধারিত এ আলোচনায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর দরজা কারো জন্য বন্ধ নয়। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়, আমরা সংলাপে বসতে রাজি। আমরা এবং আমাদের নেত্রী ঐক্যফ্রন্টের প্রস্তাবে রাজি এবং তাদের সঙ্গে সংলাপে বসব।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে সংলাপে নেতৃত্ব দিবেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। খুব শীঘ্রই আমরা সময়, স্থান ও আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো তাদের জানিয়ে দিব। এটা অনতিবিলম্বে জানিয়ে দিব। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংলাপ তফসিলের আগেই হবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফার অন্য দাবিগুলো মানা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়, আলোচনা যখন হবে, আলোচনার রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা করেন।

সংলাপ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, তথ্য সম্পাদক এ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন প্রমুখ।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত দেন প্রধানমন্ত্রী ॥ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ড. কামাল হোসেনরা (ঐক্যফ্রন্ট) আলোচনার জন্য আবেদন করেছেন। আমরা আলোচনায় বসতেই পারি। কেউ যদি আলোচনায় বসতে চায়, তা হলে বসা উচিত। বিগত নির্বাচনের আগে আলোচনায় বাসার জন্য আমি নিজেই ফোন করেছিলাম। আলোচনায় বসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তখন তারা (বিএনপি) রাজি হয়নি। এখন ড. কামালের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্ট আলোচনায় বসতে চায়। আমরা কেন বসব না?

সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসতে রাজি হলেও মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য বলেন, আমরা আগে বলেছি, কোন আলোচনা হবে না। এখন আবার আলোচনা করব। এটা ভাল দেখাবে না। তবে অধিকাংশ মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সুরে সুর মিলিয়ে আলোচনায় বসা উচিত বলে মত দেন। এ সময় প্রভাবশালী এক মন্ত্রী যারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সুর মিলিয়ে আলোচনায় বসার পক্ষে মত দেন তাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা তো বাতাস দেখে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী যদি আলোচনায় বসতে রাজি না হতেন, তাহলে আপনারাও তাই বলতেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠক সূত্রে আরও জানা যায়, অধিকাংশ সদস্যই আলোচনার পক্ষে ছিলেন। তবে কয়েকজন আলোচনার বিপক্ষে মত দেন। তাদের যুক্তি ছিল, এতদিন আমরা কারো সঙ্গে কোন আলোচনা হবে না, বলে এসেছি। তাহলে এখন কীভাবে আলোচনায় বসব? এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৩ সালে আলোচনার জন্য বিএনপিকে আমি প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা সেটা গ্রহণ করেনি। এবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিজ থেকে আলোচনার জন্য আমার কাছে সময় চেয়েছে। কেউ যদি আমার বাড়িতে আসতে চায় তাহলে আমি কীভাবে তাদের না করি। তিনি বলেন, আলোচনা তো বিএনপির সঙ্গে হচ্ছে না। আলোচনা হচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে।

প্রধানমন্ত্রীকে ড. কামালের চিঠি ॥ রবিবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে ড. কামাল হোসেন উল্লেখ করেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এক দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা। “যেসব মহান আদর্শ ও মূল্যবোধ আমাদের জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে উজ্জীবিত ও আত্মত্যাগের উদ্বুদ্ধ করেছিল তার অন্যতম হচ্ছে ‘গণতন্ত্র।’ গণতন্ত্রের প্রথম শর্তই হচ্ছে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ জনগণের পক্ষে জনগণের ক্ষমতা প্রয়োগ করবে এবং জনগণকে শোষণ থেকে মুক্তির লক্ষ্যে- রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন ও শাসনকার্য পরিচালনা করবে এটাই আমাদের সাংবিধানিক অঙ্গীকার।”

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে আরও বলা হয়, “আপনি নিশ্চয়ই একমত হবেন যে, বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচনকে একটি মহোৎসব মনে করে। ‘ব্যক্তির এক ভোট’ এর বিধান জনগণের জন্য বঙ্গবন্ধুই নিশ্চিত করেছেন- যা রক্ষা করা আমাদের সবার সাংবিধানিক দায়িত্ব।”

‘ইতিবাচক রাজনীতি একটা জাতিকে কীভাবে ঐক্যবদ্ধ করে জনগণের ন্যায়সংগত অধিকারসমূহ আদায়ের মূলশক্তিতে পরিণত করে তা বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়েছেন। নেতিবাচক রুগ্ণ-রাজনীতি কীভাবে আমাদের জাতিকে বিভক্ত ও মহাসঙ্কটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে, তাও আমাদের অজানা নয়। এ সঙ্কট থেকে উত্তরণ ঘটানো আজ আমাদের জাতীয় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট ৭ দফা দাবি ও ১১ দফার লক্ষ্য ঘোষণা করেছে।

একটি শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সবার অংশগ্রহণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে -জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে একটি অর্থবহ সংলাপের তাগিদ অনুভব করছে এবং সে লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছি।’

সাত দফা মানলে তৃতীয় শক্তি আসবে ড. হাছান ॥ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ড. কামাল হোসেন, মির্জা ফখরুল সাহেবদের সাত দফা দাবি সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করে তৃতীয় শক্তির আবির্ভাবের সুযোগ করে দেয়ার ষড়যন্ত্র। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ঐক্যফ্রন্টের দাবির মূল কথা হচ্ছে সংসদ বাতিল করতে হবে। সংসদ বাতিল করলে বাংলাদেশে একটি সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। এতে অপশক্তি কিংবা তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব ঘটার একটা সুযোগ তৈরি হবে। সুতরাং তারা নির্বাচন চায় না। তারা দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টির মাধ্যমে তৃতীয় শক্তির আবির্ভাবের সুযোগ করে দিতে চায়।

ড. কামাল হোসেনকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, কথায় কথায় বলেন উনি সংবিধানের প্রণেতা। প্রকৃতপক্ষে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির একজন হিসেবে তিনি কাজ করেছিলেন। আর তিনি আজকে সংবিধানবহির্ভূত কথা বলছেন। ড. কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যের আহ্বায়ক নন, তিনি এখন বিএনপির প্রকৃত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন দাবি করে তিনি বলেন, ড. কামাল হোসেন প্রকৃতপক্ষে জাতীয় ঐক্যের নামে তারেক রহমান আর খালেদা জিয়ার বিকল্প হিসেবে বিএনপির চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করছেন। আজকে এটিই হচ্ছে বাস্তবতা।

আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি চিত্রনায়িকা ফারহানা আমিন নতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা প্রমুখ।

বৈঠক বসেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ॥ আকস্মিক এক ঘোষণায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সংলাপে বসতে রাজি হওয়ার কথা জানানোর পর বৈঠক করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। ওবায়দুল কাদেরের সংবাদ সম্মেলন করার পর মতিঝিলে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের চেম্বারে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে রয়েছেন জেএসডির আ স ম আবদুর রব ও আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু ও মোকাব্বির খান, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না ও জাহেদুর রহমান, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোঃ মনসুর ও আ ব ম মোস্তফা আমিন, ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরীও এই বৈঠকে ছিলেন।

ঐক্যফ্রন্টের এক নেতা বলেন, ক্ষমতাসীনদের সংলাপে রাজি হওয়াসহ পুরো বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেছেন তারা।

সিইসির সঙ্গে বৈঠক বাতিলের সিদ্ধান্ত ঐক্যফ্রন্টের ॥ সরকার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনায় রাজি হওয়ায় সিইসির সঙ্গে বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে ঐক্যফ্রন্ট। আজ মঙ্গলবার একাদশ নির্বাচন নিয়ে আলোচনার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কর্মসূচী নির্ধারিত ছিল। বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের অংশ নেয়ার কথাও জানানো হয়।

কিন্তু ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত জানানোর পর ফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির এক বৈঠকে ইসিতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সোমবার সন্ধ্যায় মতিঝিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের চেম্বারে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পরে মওদুদ সাংবাদিকদের বলেন, সরকার ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনায় রাজি হওয়ায় পরবর্তী করণীয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার যেহেতু প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে এখন তাদের আর ইসিতে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

তিনি আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নেয়া সংলাপের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কখন কোথায় সংলাপ হবে এটা আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের জানানো হলে অবশ্যই সাড়া দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যেহেতু আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন, সেহেতু আমরা ভাবছি যে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার আর প্রয়োজন নেই। আজ মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার যে কথা ছিল, সেখানে আর যাচ্ছি না। কারণ সংলাপেই নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের বিষয়ে আলোচনা হবে উল্লেখ করেন।




  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত


রাজনীতি ক্যাটাগরির আরও খবর পড়ুন