নিজের বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় মেট্রো হাউজিংয়ের একটি টিনশেড ঘরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আত্মঘাতী হয়ে জঙ্গী আস্তানায় মারা গেছে দুই জঙ্গী। কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণে বাঁশ ও টিন দিয়ে তৈরি বাড়িটিতে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। এতে টিনের চাল উড়ে যায় এবং বাড়িতে আগুন ধরে যাওয়ার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। বোমা বিস্ফোরণে দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ার পর উদ্ধার করা হয়েছে আত্মঘাতী দুই জঙ্গীর লাশ। সোমবার ভোরে জিকির করা অবস্থায় অভিযান পরিচালনাকারী দল র‌্যাবকে উদ্দেশ করে গুলি ছোড়ে দুই জঙ্গী। র‌্যাব পাল্টা গুলি করলে বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আত্মঘাতী হয় দুই জঙ্গী সুজন ও সুমন। অভিযানের সময়ে মসজিদের ইমাম, বাড়ির মালিক, কেয়ারটেকারসহ চার জনকে আটক করেছে। জঙ্গীবিরোধী অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে র‌্যাব।

সোমবার বাড়িটি পরিদর্শন শেষে র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ বলেন, ঘটনাস্থলে তিনটি পায়ের নমুনা পাওয়া গেছে। এতে মনে হচ্ছে, দুজন প্রাণ হারিয়েছে। অভিযানস্থল পরিদর্শন শেষে বেলা ১১টার দিকে র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, বসিলায় জঙ্গী আস্তানায় থাকা সন্দেহভাজনদের মরদেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে আছে। আস্তানায় তিনটি পায়ের চিহ্ন পাওয়া গেছে। সে হিসাবে ধারণা করা হচ্ছে অন্তত দুইজনের মরদেহ রয়েছে। যারা জঙ্গীবাদে ঝুঁকেছে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আহ্বান জানিয়ে বেনজীর আহমেদ বলেন, লোকজন যদি জঙ্গীবাদের দিকে ধাবিত হয় সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জানাবেন। এরা দেশের, ইসলামের ও মুসলমানের দুশমন।

র‌্যাবের লিগ্যাল এ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেছেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি মোহাম্মদপুরের বসিলার মেট্রো হাউজিং এলাকার একটি টিনশেড বাড়ি জঙ্গীরা অবস্থান করছে। ভোরে ওই বাড়িটি ঘিরে ফেলা হয়। পরে আশপাশের বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়া হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই দফা বিস্ফোরণ হয়েছে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড পৌঁছানোর কমান্ড অভিযান শুরু করে। দুই যুবক বসিলায় জঙ্গী অস্তানা হিসেবে দাবি করা বাসাটি ভ্যানগাড়ির চালক পরিচয়ে ভাড়া নেন। জঙ্গী আস্তানায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিহত হওয়া ব্যক্তিরা কোন জঙ্গী সংগঠনের সদস্য বলে র‌্যাবের দাবি।

রায়েরবাজার বধ্যভূমির ঠিক পেছনে র‌্যাব-২-এর নতুন সদর দফতরটি অবস্থিত। র‌্যাবের সদর দফতর থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বসিলার মেট্রো হাউজিং এলাকায় জঙ্গী আস্তানার বাড়িটি। একতলা টিনশেডের বাড়িটির ঠিক পাশে একটি দোতলা ভবন রয়েছে। বেশির ভাগ প্লট ফাঁকা। কিছু বাড়ি নির্মাণাধীন। রবিবার রাত সাড়ে তিনটা থেকে বাড়িটি ঘেরাও করে র‌্যাব। জঙ্গী আস্তানা সন্দেহে অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে বিধ্বস্ত ঘরের পাশে র‌্যাবের সতর্ক অবস্থান করে।

এক র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, রবিবার রাত ৩টার দিকে তাহাজ্জুদের নামাজের সময় বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় বাড়িতে ঢুকে দেখা যায়, মসজিদের ফ্লোরে মশারি টাঙিয়ে শুয়ে রয়েছেন ওই মসজিদের ইমাম ইউসুফ। মসজিদের পাশে রয়েছে কয়েকটি ঘর। ওই ঘরগুলোয় ঢোকার সময়ে একটি দরজায় ধাক্কা দেন র‌্যাব কর্মকর্তা। ওই সময় এক নারী দরজা খোলেন। তখন পাশের একটি ঘর থেকে জিকির শোনা যাচ্ছিল। জিকির করে কে? এই প্রশ্ন করতেই ভেতর থেকে গুলি ছোড়া হয়। সোমবার ভোর পাঁচটার দিকে বাড়িটির ভেতর থেকে বিকট শব্দে একটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ভূমিকম্পের মতো কেঁপে ওঠে বসিলার ওই বাড়ির চারপাশ। ওই সময় ওই নারী, তার সঙ্গে থাকা দুই শিশু ও ইমাম ইউসুফকে বাড়িটি থেকে বের করে নিয়ে আসে র‌্যাব। পরে বাড়ির মালিক ওয়াহাব ও তত্ত্বাবধানকারী সোহাগকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

র‌্যাবের এক কর্মকর্তা বলেন, জঙ্গী আস্তানা পরিচিত ওয়াহাবের বাড়ির একটি ঘর প্রায় এক মাস আগে মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকায় ভাড়া নেয় দুই যুবক। বাড়ির মালিক ওয়াহাব বাড়ির পাশেই একটি কওমি মাদ্রাসা স্থাপন করেন। প্রায় এক মাস ধরে কোরআন শরিফ শিখতেন বাড়ির মালিক। ওই মাদ্রাসার ইউসুফকে তার বাড়ির মসজিদের ইমামের দায়িত্ব দেন। রবিবার রাত ৩টার দিকে র‌্যাব সদস্যরা সেখানে আসেন। ওয়াহাবের বাড়িতে অভিযান চলছে বলে পাশের বাড়ির লোকজনকে জানিয়ে নিরাপদে সরে যেতে বলেন র‌্যাব কর্মকর্তারা। অভিযানের শুরুতেই রাত তিনটার দিকে গুলির শব্দ পাওয়া যায়। পরে ভোর পাঁচটার দিকে বিকট শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের পর বাড়িটি ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করছে র‌্যাব। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল জায়গাটিতে তল্লাশি চালাচ্ছে। আরও কিছু অবিস্ফোরিত আইইডি থাকার আশঙ্কা রয়েছে। বাড়ির ভেতর দুজন ‘জঙ্গীর’ ছিন্নভিন্ন মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

ময়নাতদন্তের জন্য দেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে ॥ সোমবার বিকেলে বসিলায় ‘জঙ্গী আস্তানা’র অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে র‌্যাব। সমাপ্ত ঘোষণার আগে বিকেল ৪টার দিকে আস্তানার ভেতর থেকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন দুটি মরদেহ ব্যাগে করে বের করে আনা হয়। এর আগে র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট আস্তানার অবিস্ফোরিত আইইডি (ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) নিষ্ক্রিয় করে। পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। র‌্যাব-২ এর পুলিশ সুপার (এসপি) মহিউদ্দিন ফারুকী বলেছেন, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আপাতত জঙ্গী আস্তানার বাড়িটি কর্ডন করে রাখা হবে। সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা। আস্তানার ভেতরে কেউ জীবিত নেই বলে জানিয়ে র‌্যাবের অভিযান পরিচালনাকারীরা বলেন, অবিস্ফোরিত অবস্থায় ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ ॥ বাড়ির মালিক ওয়াহাব, মসজিদের ইমাম ইউসুফ, কেয়ারটেকার সোহাগ তার স্ত্রী মৌসুমীকে আটক করেছে র‌্যাব। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে কেয়ারটেকার সোহাগ বলেছেন, সন্দেহভাজন দুই যুবক এক/দেড় মাস আগে বাসাটি ভাড়া নেয়। তবে বাসা ভাড়া নেয়ার সময় তারা কোন নাম-ঠিকানা জমা দেয়নি। বাসাটিতে চারটি কক্ষে চার পরিবার থাকেন। তার একটিতে পরিবারসহ ভাড়া থাকেন তিনি। বাসার কেয়ারটেকার সোহাগ ডিশের ব্যবসা করেন। তবে সন্দেহভাজন জঙ্গীদের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই তার। ওই বাসার পাশে কিছুদিন আগে একটি মসজিদ গড়ে তোলা হয়। আটক ইউসুফ ওই মসজিদেরই ইমাম। র‌্যাব কর্মকর্তারা তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছেন। বাড়ির মালিক ওয়াহাব মিয়া র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, বাসাটি চলতি মাসের ১ এপ্রিল ভাড়া নেয় নিহত ব্যক্তিরা। তবে ভাড়া দেয়ার সময় তাদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের কোন কপি নেয়া হয়নি।

যেভাবে অভিযান শুরু ॥ র‌্যাব-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মহিউদ্দিন ফারুকী বলেছেন, জঙ্গীদের অবস্থানের খবর পাওয়ার পর রবিবার রাত ৩টার দিকে মেট্রো হাউজিংয়ে ৮ নম্বর রোডের শেষ মাথায় ওই টিনশেড বাসাটি ঘিরে ফেলে র‌্যাব সদস্যরা। রাত ৩টার দিকে তাহাজ্জুদের নামাজের সময় বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। র‌্যাব সদস্যরা অভিযানের আগে ডাকাডাকি করলেও জঙ্গীরা দরজা খোলেনি। এক পর্যায়ে বাসার ভেতর থেকে র‌্যাব সদস্যদের দিকে গুলি ছোড়া হয়। অন্যদিকে র‌্যাবের পক্ষ থেকেও অন্তত দেড়শ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। অভিযান শুরুর পরপরই ওই বাসার ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। পরে র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলি হয় সেখানে। ভোর পৌনে ৫টার দিকে বড় একটি বিস্ফোরণে ওই বাসার টিনের চাল উড়ে যায়। সকাল ৯টার পর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে র‌্যাবের স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা ওই বাড়িতে ঢোকে। ওই সময়ও সেখান থেকে কয়েক দফা গুলির শব্দ পাওয়া যায়। পরে ড্রোন উড়িয়ে ভেতরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরে আশপাশের বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়া হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই দফা বিস্ফোরণ হয়েছে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড পৌঁছানোর কমান্ড অভিযান শুরু করা হয়।

সুজন ও সুমন পরিচয়ে বাড়ি ভাড়া নেয় দুই জঙ্গী ॥ বসিলায় মেট্রো হাউজিংয়ে ৮ নম্বর রোডের শেষ মাথায় ওই টিনশেড বাসাটির জঙ্গী আস্তানায় দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে র‌্যাব। প্রাথমিকভাবে তাদের পরিচয় পাওয়া গেছে সুজন ও সুমন নামে। তাদের মধ্যে একজন নিজের পরিচয় দেয় ভ্যানচালক এবং আরেকজন নিজেকে বেসরকারী চাকরিজীবী বলে পরিচয় দেয়। এই জঙ্গীরা কোন সংগঠনের কি-না, তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি র‌্যাব। তাদের পরিচয়ও এখনও জানা যায়নি, এ বিষয়ে পরে জানানো হবে। বাড়ির কেয়ারটেকার সোহাগ জানিয়েছে, দেড় মাস আগে ১৫শ’ টাকায় সেই বাসা ভাড়া নেয়ার সময় বলে জানায়। প্রথমে ব্যাচেলর ভাড়া দেয়া হবে না জেনে পরে নিজেদের বিবাহিত পরিচয় দেয় দুজন। তখন তারা জানায়, দু’জনের স্ত্রীই দু-একদিনের মধ্যে আসবে। দেড় মাস আগে বাসা ভাড়া নিলেও দু’জন কখনোই একটানা থাকেনি। তাদের স্ত্রীকেও আনেনি যেহেতু, সেহেতু কেয়ারটেকারও এ বিষয়ে কিছু বলেনি। তারা মাঝেমধ্যে আসতো এবং দুই-একদিন করে থেকেছে। প্রথমবারের মতো গত ৩-৪ দিন ধরে একটানা দুজন একসঙ্গে থাকছিল। বোমার বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া ওই দুজনের মৃতদেহ চেনা যাচ্ছে না।

সরকারী খাস জমিতে বাড়ি ও মসজিদ ॥ বসিলায় মেট্রো হাউজিংয়ে ৮ নম্বর রোডের শেষ মাথায় ওই টিনশেড বাড়িটি সরকারী খাস জমি। বাড়িটিতে চারটি কক্ষের মধ্যে একটিতে কেয়ারটেকার থাকে। আরেকটি কক্ষ কিছুদিন আগে মসজিদের জন্য দান করে দিয়েছেন বাড়ির মালিক ওয়াহাব মিয়া। যে বাড়িটিতে বিস্ফোরণ হয়েছে সেটির মালিক ওয়াহাব নামে এক ব্যক্তি। বাড়িটিতে কেয়ারটেকার সোহাগ, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান থাকে। অন্য কক্ষে অনেক দিন আগে ভাড়াটিয়া ছিল। বর্তমানে বাড়ির একপাশে মসজিদ করা হয়েছে। একজন ইমাম নামাজ পড়াতেন। সরকারী খাস জমিতে ওয়াহাব ঘর তুলেছেন। কিছুদিন আগে বিআইডব্লিউটির অভিযান চালানোর পর বাড়ির মালিক ভাড়াটিয়া তুলে দিয়ে মসজিদ করে দিয়েছে। আটক ইউসুফ নামে ইমাম সেখানে নামাজ পড়াতেন। আরও যে দুটি কক্ষ আছে তার একটি মসজিদের সঙ্গে আরও একটি ছোট লাগোয়া ঘর ছিল। সেখান থেকেই বিস্ফোরণ হয়েছে। র‌্যাবের এক কর্মকর্তা বলেছেন, জিজ্ঞাসাবাদে এলাকার লোকজন বলেছেন, বসিলা এলাকার মেট্রো হাউজিং এলাকাটির যে বাড়িতে জঙ্গী আস্তানা সেটি খাস জমিতে বলে শুনতে পেরেছি। ওয়াহাব নামে একজন সেখানে ঘর তুলেছেন। বাড়ির মালিক ডিশ ও ইন্টারনেটের ব্যবসা করেন। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে বলে জানান র‌্যাব কর্মকর্তা।

জঙ্গী আস্তানাটি তালাবদ্ধ থাকত ॥ র‌্যাবের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জঙ্গী আস্তানা নামের বাড়ির পাশের এলাকাবাসী বলেছেন, বাড়িটিতে নতুন মসজিদ করা হয়েছে। তাই মসজিদটির এলাকায় বেশি পরিচিতি নেই। নতুন মসজিদে যাওয়ার জন্য পাশের লোকজনদের ডাকতেন বাড়ির মালিক। বাড়ির মালিক বলতেন, এখানে মসজিদ আছে, নামাজ পড়তে পারেন। আগে যেটা বাসাবাড়ি ছিল সেটাই বানানো হয়েছে মসজিদ। কিছুদিন আগে মসজিদের পাশের রুমটি ভাড়া দেয়া হয়। তবে কারা ভাড়া নিয়েছে, কি তাদের পরিচয়, দেখতে কেমন কেউই তেমন বলতে পারেন না। তবে রুমটা প্রায় তালা মারা দেখা যেত।




  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত


বাংলাদেশ ক্যাটাগরির আরও খবর পড়ুন